[1] নোহের ছেলে শেম, হাম ও যেফতের বংশ বৃত্তান্ত এই। বন্যার পরে তাঁদের ছেলেমেয়ে জন্মাল।
[2] যেফতের ছেলে গোমর, মাগোগ, মাদয়, যবন, তূবল, মেশক ও তীরস।
[3] গোমরের ছেলে অস্কিনস, রীফৎ ও
[4] তোগর্ম। যবনের ছেলে ইলীশা, তর্শীশ,
[5] কিত্তীম ও দোদানীম। এই সমস্ত থেকে জাতিদের দ্বীপনিবাসীরা নিজের নিজের দেশে নিজের নিজের ভাষানুসারে নিজের নিজের জাতির নানা গোষ্ঠীতে বিভক্ত হল।
[6] আর হামের ছেলে কূশ, মিশর, পুট ও কনান।
[7] কূশের ছেলে সবা, হবীলা, সপ্তা, রয়মা ও সপ্তকা। রয়মার ছেলে শিবা ও দদান।
[8] নিম্রদ কূশের ছেলে; তিনি পৃথিবীতে শক্তিশালী হতে লাগলেন।
[9] তিনি সদাপ্রভুর সামনে শক্তিশালী শিকারী হলেন; তার জন্য লোকে বলে, সদাপ্রভুর সামনে শক্তিশালী শিকারী নিম্রোদের তুল্য।
[10] শিনিয়র দেশে বাবিল, এরক, অক্কদ ও কলনী, এই সব জায়গা তাঁর রাজ্যের প্রথম অংশ ছিল।
[11] সেই দেশ থেকে তিনি অশূরে গিয়ে নীনবী,
[12] রহবোৎপুরী, কেলহ এবং নীনবী ও কেলহের মাঝখানে রেষন পত্তন করলেন; ওটা মহানগর।
[13] আর লূদীয়, অনামীয়,
[14] লহাবীয়, নপ্তুহীয়, পথ্রোষীয়, পলেষ্টীয়দের পূর্বপুরুষ কসলূহীয় এবং কপ্তরীয়, এই সব মিশরের সন্তান।
[15] এবং কনানের বড় ছেলে সীদন, তারপর হেৎ,
[16] যিবূষীয়, ইমোরীয়, গির্গাশীয়,
[17] হিব্বীয়, অর্কীয়, সীনীয়,
[18] অর্বদীয়, সমারীয় ও হমাতীয়। পরে কনানীয়দের গোষ্ঠী সকল বিস্তারিত হল।
[19] সীদোন থেকে গরারের দিকে ঘসা পর্যন্ত এবং সদোম, ঘমোরা, অদমা ও সবোয়ীমের দিকে লাশা পর্যন্ত কনানীয়দের সীমা ছিল।
[20] নিজের নিজের গোষ্ঠী, ভাষা, দেশ ও জাতি অনুসারে এই সব হামের ছেলে।
[21] যে শেম এবারের সব লোকদের পূর্বপুরুষ, আর যেফতের বড় ভাই, তাঁরও ছেলেমেয়ে ছিল।
[22] শেমের এই সকল ছেলে এলম, অশূর, অর্ফকষদ, লূদ ও অরাম।
[23] অরামের সন্তান ঊষ, হূল, গেথর ও মশ।
[24] আর অর্ফকষদ শেলহের জন্ম দিলেন ও শেলহ এবারের জন্ম দিলেন।
[25] এবারের দুই ছেলে; একের নাম পেলগ [বিভাগ], কারণ সেই দিনের পৃথিবী ভাগ হল। তাঁর ভাইয়ের নাম যক্তন।
[26] যক্তন অলমোদদ, শেলফ, হৎসর্মাবৎ, যেরহ,
[27] হদোরাম, উষল, দিক্ল,
[28] ওবল, অবীমায়েল, শিবা,
[29] ওফীর, হবীলা ও যোববের বাবা হলেন। এরা সবাই যক্তনের ছেলে।
[30] মেষা থেকে পূর্বদিকের সফার পর্বত পর্যন্ত তাদের বসতি ছিল।
[31] নিজের নিজের গোষ্ঠী, ভাষা, দেশ ও জাতি অনুসারে এই সকল শেমের ছেলে।
[32] নিজের নিজের বংশ ও জাতি অনুসারে এরা নোহের ছেলেদের গোষ্ঠী এবং বন্যার পরে এদের থেকে তৈরী নানা জাতি পৃথিবীতে ভাগ হল।