[1] মানষর পক্ষে রইয়া আল্লার এবাদতির লাগি মানষর মাজ থনেউ পরতেক পরধান ইমামরে পছন্দ করি নেওয়া অয়। তান কাম অইলো মানষর গুনা মাফির লাগি পশু কুরবানি দেওয়া আর হকল জাতর লিল্লা-ছদগা বখশিয়া দেওয়া।
[2] যেরা না বুজিয়া গুনা করে আর বে-পথি অয় এরার লগে তাইন নরম বেবহার করতা পারইন, কারন তান মাজেও কমজুরি আছে।
[3] তাইন যেলা অইন্য মানষর গুনার লাগিয়া কুরবানি দেইন, অউলা তান নিজর কমজুরি আর গুনার লাগিও কুরবানি করা ফরজ।
[4] পরধান ইমাম অওয়ার ইজ্জত কেউ নিজে নিজে কামাইতো পারে না, খালি আল্লায় যেনরে পছন্দ করইন তাইনউ ই ইজ্জত হাছিল করইন, যেলা আল্লায় হারুন নবীরে ই ইজ্জত দিছলা।
[5] ইছায়ও অউলা পরধান ইমাম অওয়ার লাগি নিজে নিজরে বড় বানাইলা না, বরং আল্লায়উ তানরে অউ গৌরব দান করছইন, আল্লায় বাতাইছইন, তুমি তো আমার পুত, আইজ আমিউ তুমার বাফর লাখান অইলাম।
[6] তাইন অউলা আরক আয়াতো কইছইন, বাদশা মালকী-সিদ্দিকর নমুনায়, তুমিউ হর-হামেশাকুর ইমাম।
[7] আল্লায় তো ইছারে মউতর আত থাকি বাচাইতা পারলা অনে, ইছা দুনিয়াত থাকার সময় তান গেছে আহাজারি করি কান্দিয়া দোয়া-মিনতি করি ভিক মাগিছইন, তান মাজে আল্লার ডর-খফ আর বাইধ্যতা থাকায় ইতার জুয়াপও পাইছইন।
[8] তাইন পুত অইলেও কষ্ট সইয্য করিয়া, আল্লার বাইধ্য অইয়া রওয়া হিকিছইন,
[9] আর অউ লাখান রইয়া তাইন যেবলা পুরাপুর কামিল বনিগেলা, আল্লায় তানরে মালকী-সিদ্দিকর নমুনায় পরধান ইমামর খেতাব দিলা, অউ নমুনায় তান বাইধ্য উম্মত অকলর লাগি আল্লাই নাজাতর পথ খুলিয়া দিছইন।
[11] মালকী-সিদ্দিকর বেয়াপারে আমরার আরো বউত বয়ান আছে, অইলে তুমরার কানো তালা লাগাই দিছো করি তুমরারে ইতা বুজানি খুব কষ্ট।
[12] অতদিনর মাজে তুমরাও উস্তাদ অইযিতায় আছিল, অইলে অখনও দেখা যার তুমরারে আল্লার কালামর পয়লা ছবক হিকানি লাগবো। তুমরারে অখনও হুরুতার লাখান দুধ খাওয়ানি লাগের, শক্ত খানা হজম করতায় পাররায় না।
[13] আর যেরা দুধ খায় তারা তো গেদা হুরুতা, শরিয়তর হুকুম-আহকামর বেয়াপারে তারা কুন্তাউ বুজে না।
[14] শক্ত খানা তারার লাগিউ যেরার বয়স অইছে, তারা ভালা-বুরার তফাত বুজিয়া আখল খাটাইয়া চলে।