[1] বাদে সাহাবি অকলে আর এহুদিয়া জিলার হক্কল মুমিন ভাইয়াইন্তে হুনলা, অ-ইহুদি অকলেও আল্লার কালামর উপরে ইমান আনছইন।
[2] এরলাগি পিতর যেবলা জেরুজালেমো আইলা, ই সময় মছলমানি করাইল ইমানদার অকলে তানে দুষি সাইবস্তো করিয়া কইলা,
[3] “আপনে তো মছলমানি না করাইল মানষর ঘরো হামাইছইন, আর তারার লগে খানাও খাইছইন।”
[4] তেউ পিতরে পয়লা থাকি যেতা যেতা ঘটছিল, তারার গেছে এক এক করি বুজাইয়া কইলা,
[5] “আমি জাফা শহরো দোয়া করাত আছলাম, অমন সময় পাক রুহর দরশন পাইলাম, আমি দেখলাম, আছমান থাকি বড় চাদ্দরর লাখান একখান চিজর চাইর কুনাত ধরিয়া আমার গেছে লামাইয়া দেওয়া অর।
[6] আমি ধিয়ান ধরি চাইয়া চিন্তাত পড়ি গেলাম, আর দেখলাম, এর মাজে হকল জাতর পশু, পাখি, জংলি জানুয়ার আর বুকে চলরা জানদার অকল আছইন।
[7] বাদে এক আওয়াজ হুনলাম, পিতর, উঠো, মারিয়া খাও।
[8] আমি কইলাম, না, না মালিক, কুনুমন্তেউ না, নাপাক বা হারাম কুন্তা আমি কুনুদিন মুখো দিছি না।
[9] বাদে দুছরা বার আছমান থাকি অউ আওয়াজ হুনলাম, আল্লায় যেতা হালাল করছইন, তুমি ইতারে হারাম কইও না।
[10] অউলা তিনবার কওয়ার বাদে হকলতা আছমানো তুলি নেওয়া অইলো।
[11] আর এর লগে লগেউ, আমি যে বাড়িত আছলাম অউ বাড়িত আইয়া তিনজন মানুষ হামাইলো, তারারে কৈছরিয়া থাকি পাঠাইল অইছিল।
[12] তেউ পাক রুহে আমারে কইলা, কুনু সন্দয় না করিয়া তারার লগে অইয়া যাওয়ার লাগি। আর অউ ছয়জন ভাইও আমার লগে গেছলা। বাদে আমরা অউ অ-ইহুদির বাড়িত হামাইলাম।
[13] তাইন কিলা তান বাড়িত একজন ফিরিস্তার দরশন পাইছলা ইতা আমরারে হুনাইলা। হউ ফিরিস্তায় তো তানরে কইছলা, সাইমন উরফে পিতররে আনার লাগি জাফা শহরো মানুষ পাঠাও।
[14] হে তুমারে অউলা নছিয়ত করবো, যেতা মানিয়া তুমি আর তুমার পরিবারর হকলে নাজাত পাইবায়।
[15] আর আমি বয়ান শুরু করার বাদে, পাক রুহ পয়লা যেলা আমরার উপরে আইছলা, এক্কেরে অউলা তারার উপরেও আইলা।
[16] অউগি আল-মসীর তালিম আমার মনো অইলো, তাইন কইছলা, এহিয়ায় তৌবার গোছল করাইছইন পানিত, আর তুমরার গোছল অইবো পাক রুহে।
[17] তে ভাই অকল, ইছা আল-মসীর উপরে ইমান আনায় আল্লায় আমরারে যেলা দান দিছইন, হউ একই দান যেবলা তারারেও দিলা, তে আমি আরক জন কে, আল্লারে না করতাম?”
[18] ইখান হুনার বাদে এহুদিয়ার ইমানদার অকলে আর কুনু আপত্তি না করিয়া, আল্লার তারিফ করা ধরলা, তারা কইলা, “তে আল্লায় অ-ইহুদি অকলরেও গুনা থাকি মন বদলাইয়া, জিন্দেগি পাওয়ার তৌফিক দিছইন।”
[19] স্তিফানর মউতর ঘটনার বাদে যেতা ইমানদার অকল জুলুমর লাগি ছিতরি গেছলা, তারা ফৈনিকিয়া, সাইপ্রাস আর আন্তিয়খিয়া পর্যন্ত গিয়া খালি ইহুদি অকলর গেছে আল্লার কালাম তবলিগ করলা।
[20] অইলে এরার মাজে কয়জন আছলা সাইপ্রাস দ্বীপ আর কুরিনি এলাকার মানুষ, এরা আন্তিয়খিয়াত গিয়া ইউনানি অকলর গেছেও হজরত ইছার খুশ-খবরি তবলিগ করলা।
[21] আর আল্লায় তান কুদরতি বলে তারারে সাইয্য করলা, তেউ বউত মানুষ ইমান আনিয়া তান মুখি অইলা।
[22] ই খবর জেরুজালেম জমাতর মুমিন অকলর কানো আইলো, খবর হুনিয়া তারা বার্নাবাছরে আন্তিয়খিয়াত পাঠাইলা।
[23] তাইন হনো পৌছিয়া আন্তিয়খিয়াত আল্লার মেহেরবানি দেখিয়া খুব খুশি অইলা, আর মানষরে আশা দিতা থাকলা, যাতে তারা দিলে-জানে মালিকর নামে ইমানে মজবুত রইন।
[24] বার্নাবাছ একজন হক মানুষ, তাইন পাক রুহ আর ইমানে কামিল আছলা। আর বউত মানুষ মালিকর মুখি ফিরিয়া আইছিল।
[25] বাদে বার্নাবাছ শৌলর তালাশে তার্ষ টাউনো গেলা,
[26] আর তানরে পাইয়া আন্তিয়খিয়াত লইয়া আইলা। বার্নাবাছ আর শৌল পুরা এক বরছ হনো জমাতর লগে মিলিয়া বউত মানষরে তালিম দিলা। অউ আন্তিয়খিয়াতউ আল-মসীর উম্মত অকলরে পয়লা ইছায়ী নামে ডাকা অইলো।
[27] অউ সময় কয়জন নবী জেরুজালেম থাকি আন্তিয়খিয়াত আইলা।
[28] এরার মাজে আগাবুছ নামর এক নবীয়ে পাক রুহর জরিয়ায় খাড়া অইয়া কইলা, আস্তা দুনিয়াই জুড়িয়া এক বেজুইতা নিদান দেখা দিবো; বাদশা কেলাদুছর রাজত্বর কালো ইখান পুরা অইলো।
[29] এরলাগি মুমিন অকলে নিয়ত করলা, এহুদিয়া জিলার ইমানদার অকলর খেজমতর লাগি, তারা যারযির খেমতা মাফিক সাইয্য পাঠাইতা।
[30] আর নিয়ত মাফিক কামও তারা করলা, তারা বার্নাবাছ আর শৌলর আতানে এহুদিয়ার জমাতর মুরব্বি অকলর গেছে সাইয্য পাঠাইলা।