[1] ও ভাই অকল, হেশ-মেশ কইরাম, আমরার লাগি দোয়া করিও, হজরত ইছার খুশ-খবরি তুমরার মাজে যেলা জলদি জলদি ছিতরিছিল, অউলা যানু দিন দিন ছিতরাত রয় আর গৌরব পাওয়াত রয়।
[2] আর অউ দোয়া খানও করিও, আমরা যানু বিবেক ছাড়া নাফরমান অকলর আত থাকি রেহাই পাই। সব মানুষ তো আর ইমানদার নায়।
[3] অইলে মালিক ইছা তো হক আর খাটি, তাইনউ তুমরারে ইমানে থির রাখবা আর শয়তানর আত থাকি হামেশা হেফাজত করবা।
[4] মালিকর উপরে ইমান আনছো করি তুমরার উপরে আমরার ই একিন আছে, আমরা যেলা হুকুম দিছি, তুমরা ঠিক অউ লাখান কাম কররায় আর করাত রইবায়ও।
[5] মালিক ইছায় যানু তুমরার দিলরে আল্লার মহব্বতর পথে আর আল-মসীর ছবরর পথে চালু রাখইন।
[6] ভাই অকল, আমরার হজরত ইছা আল-মসীর নামে অউ হুকুম দিরাম, তুমরার জমাতর কুনু ইমানদার ভাইয়ে যুদি কুড়িয়ামি করে আর আমরা যেতা তালিম দিছি, ইতা না মানে, তে তার লগে চলা-ফিরা বাদ দিলাও।
[7] হুনো, আমরার লাখান কেমনে চলতায়, ইতা তো তুমরা জানোউ। আমরা যেবলা তুমরার লগে রইতাম, অউ সময় তো কুনুজাত কুড়িয়ামি করছি না,
[8] মাগনা কুনু খানি খাইছি না। আমরা দিনে-রাইতে মেনত করিয়া রুজি-রুজগার করছি, যাতে তুমরা কেউরর বোঝা না অই।
[9] অইলে আমরা যেন তুমরার গেছ থাকি সাইয্য নিবার অধিকার নাই, ইলা তো নায়, তা-ও আমরা অলা করিয়া দেখাইছি, যাতে তুমরাও আমরার লাখান চলো।
[10] তুমরার গেছে থাকার কালো তালিম দিছলাম, কুনু জনে যুদি কাম করতো না চায়, তে হে খানিও বাদ দিলাউক।
[11] আমরা অখনও হুনরাম, তুমরার মাজে কেউ কেউ কুড়িয়ামি করের আর কুনুজাত কাম-কাজ করের না, বরং হামেশা পরর কিচ্ছা গাইয়া দিন কাটায়।
[12] তে আমরার মালিক ইছা আল-মসীর অইয়া ইতা মানষরে নছিয়ত আর হুকুম দিয়ার, তারা যানু শান্তি অইয়া রুজি-রুজগার করিয়া খায়, আর নিজর খানি নিজে যুগায়।
[13] ভাইয়াইনরে, নেক কামো হেরান অইও না।
[14] অউ চিঠির ভাষায় লেখা আমরার পরামিশ যুদি কেউ না মানে, তে তারে চিনিয়া রাখো, তার লগে চলা-ফিরা বাদ দিলাও, তেউ হে শরমিন্দা অইবো।
[15] অইলে খিয়াল রাখিও, তারে দুশমন মনো করিও না, বরং ভাই হিসাবে হুশিয়ার করো।
[16] শান্তি দেওরা মালিকে তুমরারে হামেশা হকল নমুনার শান্তি দান করউক্কা। মালিক ইছা তুমরা হকলর লগে লগে রউক্কা।
[17] হুনো, ই ছালামর কথা আমি পাউলুছে নিজর আতে লেখছি। অকটাউ আমার পরতেক চিঠির আলামত, আমি অউ নমুনায় চিঠি লেখি।
[18] তুমরা হকলর উপরে আমরার মালিক ইছা আল-মসীর রহমত জারি রউক। আমিন॥