[1] ও তিমথি, হুনো, কুনু মুরব্বি মানষর দুষ দেখানিত গিয়া কড়া ভাষায় মাতিও না। তারার লগে নিজর বাফর লাখান বেবহার করিও। আর জুয়ান অকলরে নিজর ভাই মনো করিয়া হেদায়ত করিও।
[2] মুরব্বি বেটিনরে নিজর মা আর পুড়িন্তরে বইন মনো করিয়া, মনর ভাব পাক-পবিত্র রাখিয়া তারারে হেদায়ত করিও।
[3] যেতা ড়াড়ি বেটিন্তর কেউ নাই, তারারে খুব যতন করি দেখা-হুনা করিও।
[4] অইলে কুনু ড়াড়ি বেটিন্তর যুদি পুয়া-পুড়িন বা নাতি-নাতনি থাকইন, তে আল্লার ডরে এরাউ যানু পয়লা যারযির পরিবারর দেখা-হুনা করে। অউ নমুনায় তারার ময়-মুরব্বির মায়া-মমতার রিন শোধ করতা পারবা, আর ইতা কামে তো আল্লা খুশি অইন।
[5] যে ড়াড়ি বেটিন্তর কেউ নাই, তারা খালি আল্লার উপরে ভরসা রাখিয়া, দিনে-রাইতে তান দরবারো মুনাজাত আর কান্দা-কাটি করাত রইন।
[6] অইলে যেতা ড়াড়ি বেটিন্তে যেমনে মনে চায় এমনে চলইন, ইতা তো জিন্দা হালতেউ মরা।
[7] অউ বেয়াপারে হুকুম দেও, যাতে কেউ তারারে দুষি কওয়ার সুযোগ না পায়।
[8] যে জনে আপন জনরে, খাছ করি নিজর পরিবারর মানষর দেখা-হুনা করে না, হে আসলে ইছায়ী ইমানরেউ অস্বীকার করলো। ইগু তো বিধর্মী থাকিও বাদ।
[9] এরলাগি ড়াড়ি বেটিন্তর নামর লিষ্ট করার বালা আগে দেখতে অইবো, ই বেটির বয়স ষাইট বছর অইছে নি, আর জামাইর বায় তাইন পুরাপুর হক-হালালি আছলা নি।
[10] এছাড়া নেক কামর লাগি তান সুনাম থাকতে অইবো, অউ নেক কাম অইলো, পুয়া-পুড়িন মানুষ বানানি, মেহমানদারি করা, আল্লার বন্দা অকলর পাও ধোয়ানি, দুখ-মছিবতি মানষরে সাইয্য করা, আর হকল নমুনার নেক কামো শরিক অওয়া।
[11] কুনু জুয়ান ড়াড়ি বেটির নাম ই লিষ্টো তুলিও না। কারন তারার যৌবনর লাগি শরিলর গরমে যেবলা উতাল-পাতাল করইন, অউ সময় আল-মসীর বায় তারার ডর-ভয় কমি যায়, তেউ তারা হিরবার বিয়া বইতা চাইন।
[12] এরলাগি তারা আল্লার লগর আগর ওয়াদা ভংগ করইন, নিজর উপরে গজব ডাকিয়া আনইন।
[13] আর তারা বাড়িয়ে বাড়িয়ে আড্ডা মারিয়া কুড়িয়া বনিযাইন। খালি কুড়িয়া নায়, যেতা মাত-কথা তারার লাগি জাইজ নায়, অতা বাজে মাত-কথাও মাতইন আর পরর গিবত গাওয়াত রইন।
[14] এরলাগি আমি অউ নছিয়ত করিয়ার, জুয়ান ড়াড়ি বেটিন্তে বিয়া-শাদি করাউ ভালা, তারা হুরুতার মা অউক, নিজর সংসারর দেখা-হুনা করউক, আর দুশমনরে কুনু লাখান বদনাম গাওয়ার সুযোগ না দেউক।
[15] কয়জন ড়াড়ি বেটিন এর মাজেউ তো বে-পথি বনিয়া শয়তানর পথে চলা-ফিরা কররা।
[16] কুনু ইছায়ী ইমানদার বেটি মানষর ঘরো যুদি ড়াড়ি বেটিন থাকইন, তে অউ বেটিয়ে যানু এরার দেখা-হুনা করইন। এরারে দেখা-হুনার ভার জমাতর উপরে না দেওয়া ভালা। তেউ যেতা ড়াড়ি বেটিন একদম লাছার, জমাতে তারার দেখা-হুনা করতে সুবিধা অইবো।
[17] জমাতর যে পরধান মুরব্বি অকলে জমাতরে ভালামন্তে চালাইন, খাছ করি যেরা আল্লার কালাম তবলিগ আর তালিম দেওয়ার লাগি মেনত করইন, তারা ডাবুল ইজ্জত পাওয়া জরুর।
[18] আল্লার কালামো তো আছে, “ধান মাড়া দেওয়ার সময় গরুর মুখো হুফি লাগাইও না।” আরক আয়াতো আছে, “কামলায় তার বেতন পাওয়ার যোইগ্য।”
[19] মনো রাখিও, দুই বা তিন জন সাক্ষির কথা ছাড়া, জমাতর মুরব্বির বিরুদ্ধে কুনু নালিশ সমজিও না।
[20] অইলে যে মুরব্বি অকলে গুনা করাতউ থাকইন, জমাতর মানষর গেছে তারার দুষ জাইর করিও, যাতে অইন্য হকলে ডরাইন।
[21] হুনো, আল্লা পাক, মালিক ইছা আল-মসী, আর আল্লার মায়ার ফিরিস্তা অকলরে সাক্ষি রাখিয়া তুমারে অউ হুকুম দিরাম, তুমি নিরোপক্ষ রইয়া ইতা কাম করিও, কেউররে পর বা আপন মনো করিও না।
[22] চট করি কেউররে খেলাফতি দিয়া, কুনু পদো বওয়াল করিও না। অইন্য মানষে যেবলা গুনার কাম করে, তুমি তারার লগে শরিক অইও না, নিজরে নিখুত রাখিও।
[23] আর কয়দিন বাদে বাদেউ তুমার বেমার অয়, এরলাগি তুমি খালি পানি খাইও না, থুড়া থুড়া আংগুরর শরবতও খাইও, তেউ অজম অইবো।
[24] খিয়াল রাখিও, কুনু কুনু মানষর গুনা অলা পরিস্কার দেখা যায়, এরলাগি তার বিচার আগেউ অইযায়। আর কুনু কুনু মানষর গুনা বাদে ধরা পড়ে।
[25] অলাখান নেক কাম পরিস্কার দেখা যায়, আর কুনু নেক কাম পরিস্কার দেখা না গেলেও, ইতা লুকাইল রয় না।