[1] প্রাচীর গাঁথা হয়ে যাবার পর আমি দরজাগুলি ঠিক জায়গায় লাগালাম, এবং দ্বাররক্ষী, গায়ক ও লেবীয়দের নিযুক্ত করা হল।
[2] আমার ভাই হনানিকে ও দুর্গের শাসনকর্তা হনানিয়কে জেরুশালেমের উপর নিযুক্ত করলাম, কেননা হনানি বিশ্বস্ত লোক ছিলেন এবং ঈশ্বরকে অনেকের চেয়ে বেশি ভয় করতেন।
[3] আমি তাদের বললাম, “যতক্ষণ না প্রচণ্ড রোদ হয় ততক্ষণ জেরুশালেমের দ্বার যেন খোলা না হয়। রক্ষীরা থাকার সময় তাদের দিয়ে যেন দ্বার বন্ধ করা ও হুড়কা লাগানো হয়। এবং জেরুশালেমের নিবাসীদের মধ্যে থেকে যেন প্রহরী নিযুক্ত হয়, তাদের কেউ কেউ থাকুক পাহারা দেবার জায়গায় আর কেউ কেউ নিজের বাড়ির কাছে।”
[4] সেই সময় জেরুশালেম নগর ছিল বড় ও অনেক জায়গা জুড়ে, কিন্তু তার মধ্যে অল্প সংখ্যক লোক ছিল, এবং সব বাড়িও তখন তৈরি করা হয়নি।
[5] পরে ঈশ্বর আমার মনে ইচ্ছা দিলেন যেন আমি গণ্যমান্য লোকদের, উচ্চপদস্থ কর্মচারীদের ও সাধারণ লোকদের একত্র করে তাদের বংশাবলি লেখা হয়। যারা প্রথমে ফিরে এসেছিল সেই লোকদের বংশতালিকা পেলাম। তার মধ্যে আমি এই কথা লেখা পেলাম:
[6] ব্যাবিলনের রাজা নেবুখাদনেজার যাদের বন্দি করে নিয়ে গিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে সেই প্রদেশের এইসব লোকজন নির্বাসন কাটিয়ে জেরুশালেম ও যিহূদায় নিজের নিজের নগরে ফিরে এসেছিল।
[7] তারা সরুব্বাবিল, যেশূয়, নহিমিয়, অসরিয়, রয়মিয়া, নহমানি, মর্দখয়, বিল্শন, মিস্পরৎ, বিগ্বয়, নহূম ও বানার সঙ্গে ফিরে এসেছিল। ইস্রায়েলী পুরুষদের তালিকা:
[8] পরোশের বংশধর 2,172 জন,
[9] শফটিয়ের বংশধর 372 জন,
[10] আরহের বংশধর 652 জন,
[11] (যেশূয় ও যোয়াবের সন্তানদের মধ্যে) পহৎ-মোয়াবের বংশধর 2,818 জন,
[12] এলমের বংশধর 1,254 জন,
[13] সত্তূরের বংশধর 845 জন,
[14] সক্কয়ের বংশধর 760 জন,
[15] বিন্নূয়ীর বংশধর 648 জন,
[16] বেবয়ের বংশধর 628 জন,
[17] অস্গদের বংশধর 2,322 জন,
[18] অদোনীকামের বংশধর 667 জন,
[19] বিগ্বয়ের বংশধর 2,067 জন,
[20] আদীনের বংশধর 655 জন,
[21] (হিষ্কিয়ের বংশজাত) আটেরের বংশধর 98 জন,
[22] হশুমের বংশধর 328 জন,
[23] বেৎসয়ের বংশধর 324 জন,
[24] হারীফের বংশধর 112 জন,
[25] গিবিয়োনের বংশধর 95 জন,
[26] বেথলেহেম এবং নটোফার লোকেরা 188 জন,
[27] অনাথোতের লোকেরা 128 জন,
[28] বেত্-অস্মাবতের লোকেরা 42 জন,
[29] কিরিয়ৎ-যিয়ারীম, কফীরা ও বেরোতের লোকেরা 743 জন,
[30] রামার ও গেবার লোকেরা 621 জন,
[31] মিক্মসের লোকেরা 122 জন,
[32] বেথেল ও অয়ের লোকেরা 123 জন,
[33] অন্য নেবোর লোকেরা 52 জন,
[34] অন্য এলমের লোকেরা 1,254 জন,
[35] হারীমের লোকেরা 320 জন,
[36] যিরীহোর লোকেরা 345 জন,
[37] লোদ, হাদীদ, ও ওনোর লোকেরা 721 জন,
[38] সনায়ার লোকেরা 3,930 জন।
[39] যাজকবর্গ: (যেশূয়ের বংশের মধ্যে) যিদদিয়ের বংশধর 973 জন,
[40] ইম্মেরের বংশধর 1,052 জন,
[41] পশ্হূরের বংশধর 1,247 জন,
[42] হারীমের বংশধর 1,017 জন।
[43] লেবীয়বর্গ: (হোদবিয়ের বংশে কদ্মীয়েলের মাধ্যমে) যেশূয়ের বংশধর 74 জন।
[44] গায়কবৃন্দ: আসফের বংশধর 148 জন।
[45] মন্দিরের দ্বাররক্ষীবর্গ: শল্লুম, আটের, টল্মোন, অক্কূব, হটীটা ও শোবয়ের বংশধর 138 জন।
[46] মন্দিরের পরিচারকবৃন্দ: সীহ, হসূফা, টব্বায়োত,
[47] কেরোস, সীয়, পাদোন,
[48] লবানা, হগাব, শল্ময়,
[49] হানন, গিদ্দেল, গহর,
[50] রায়া, রৎসীন, নকোদ,
[51] গসম, ঊষ, পাসেহ,
[52] বেষয়, মিয়ূনীম, নফূষীম,
[53] বক্বূক, হকূফা, হর্হূর,
[54] বসলূত, মহীদা, হর্শা,
[55] বর্কোস, সীষরা, তেমহ,
[56] নৎসীহ ও হটীফার বংশধর।
[57] শলোমনের দাসদের বংশধর: সোটয়, সোফেরত, পরীদা,
[58] যালা, দর্কোন, গিদ্দেল,
[59] শফটিয়, হটীল, পোখেরৎ-হৎসবায়ীম ও আমোনের বংশধর।
[60] মন্দিরের দাসেরা এবং শলোমনের দাসদের বংশধর 392 জন।
[61] তেল্-মেলহ, তেল্-হর্শা, করূব, অদ্দন ও ইম্মের, এসব স্থান থেকে নিম্নলিখিত লোকেরা এসেছিল, কিন্তু তারা ইস্রায়েলী লোক কি না, এ বিষয়ে নিজ নিজ পিতৃকুলের প্রমাণ দিতে পারল না:
[62] দলায়, টোবিয় ও নকোদের বংশধর 642 জন।
[63] আর যাজকদের মধ্যে: হবায়ের, হক্কোষের ও বর্সিল্লয়ের বংশধর (এই বর্সিল্লয় গিলিয়দীয় বার্সিল্লয়ের এক মেয়েকে বিয়ে করেছিল এবং তাকে সেই নামেই ডাকা হতো)।
[64] বংশতালিকায় এই লোকেরা তাদের বংশের খোঁজ করেছিল কিন্তু পায়নি, এবং সেই কারণে তারা অশুচি বলে তাদের যাজকের পদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
[65] সুতরাং, শাসনকর্তা তাদের এই আদেশ দিয়েছিলেন, যে ঊরীম ও তুম্মীম ব্যবহারকারী কোনো যাজক না আসা পর্যন্ত যেন লোকেরা কোনও মহাপবিত্র খাদ্য ভোজন না করে।
[66] সর্বমোট তাদের সংখ্যা ছিল 42,360,
[67] এছাড়া তাদের দাস-দাসী ছিল 7,337 জন; এবং তাদের 245 জন গায়ক-গায়িকাও ছিল।
[68] তাদের 736 টি ঘোড়া, 245 টি খচ্চর,
[69] 435 টি উট ও 6,720 টি গাধা।
[70] পিতৃকুলপতিদের মধ্যে কেউ কেউ সেই কাজের জন্য দান করল। শাসনকর্তা ভাণ্ডারে 1,000 অদর্কোন সোনা ও পঞ্চাশটি বাটি এবং যাজকদের জন্য 530 টি পোশাক দিলেন।
[71] কয়েকজন পিতৃকুলপতি ভাণ্ডারে এই কাজের জন্য 20,000 অদর্কোন সোনা ও 2,200 মানি রুপো দিলেন।
[72] বাকি লোকেরা মোট 20,000 অদর্কোন সোনা ও 2,000 মানি রুপো এবং যাজকদের জন্য 67 টি পোশাক দিল।
[73] যাজকেরা, লেবীয়েরা, দ্বাররক্ষীরা, গায়কেরা এবং মন্দিরের দাসেরা বিশেষ কিছু লোকের ও অবশিষ্ট ইস্রায়েলীদের সঙ্গে নিজের নিজের নগরে বসবাস করতে লাগল। সপ্তম মাসে ইস্রায়েলীরা নিজের নিজের নগরে বসবাস করতে লাগল।