Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 3:22

[1] আমি যাকে প্রকৃতই ভালোবাসি, আমার সেই প্রিয় বন্ধু গায়োর সমীপে, আমি এই প্রাচীন, এই পত্র লিখছি।

[2] প্রিয় বন্ধু, তোমার আত্মা যেমন কুশলে আছে, তেমনই তোমার শারীরিক ও সর্বাঙ্গীণ কুশল কামনা করি।

[3] সত্যের প্রতি তোমার বিশ্বস্ততা এবং কেমনভাবে তুমি সত্যের পথে চলছ, কয়েকজন ভাই এসে আমাকে সেকথা জানানোয়, আমি পরম আনন্দ লাভ করেছি।

[4] আমার সন্তানেরা সত্যে বিচরণ করছে, একথা শুনে যে আনন্দ পাই, তার থেকে মহত্তর আনন্দ আর কিছু হতে পারে না।

[5] প্রিয় বন্ধু, তোমার কাছে অপরিচিত হলেও তুমি ভাইদের প্রতি বিশ্বস্তভাবে তোমার কর্তব্য করে চলেছ।

[6] তাঁরা তোমার ভালোবাসার কথা মণ্ডলীতে জানিয়েছেন। ঈশ্বরের সুযোগ্যরূপে তাদের যাত্রার সুব্যবস্থা করে দিলে তুমি ভালো কাজই করবে।

[7] প্রভুর নাম-কীর্তনের জন্যই তাঁরা বেরিয়েছেন, বিধর্মীদের কাছ থেকে কোনো সাহায্য গ্রহণ করেননি।

[8] অতএব, এই ধরনের লোকদের প্রতি আমাদের আতিথেয়তা প্রদর্শন করা উচিত, যেন সত্যের পক্ষে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি।

[9] মণ্ডলীর কাছে আমি পত্র লিখেছিলাম, কিন্তু দিয়ত্রিফি, যে প্রাধান্য পেতে ভালোবাসে, সে আমাদের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখে না।

[10] তাই আমি ওখানে গেলে, সে কী করছে, তা তোমাদের কাছে বলব; আমাদের সম্পর্কে সে বিদ্বেষবশত কুত্সা-রটনা করছে। তাতেও সন্তুষ্ট না হয়ে, সে ভাইদের অভ্যর্থনা করতে অস্বীকার করে; যারা তা করতে চায়, সে তাদেরও বাধা দেয়, এমনকি, মণ্ডলীচ্যুত করে।

[11] প্রিয় বন্ধু, যা মন্দ তার অনুকরণ কোরো না, যা ভালো, তারই অনুকরণ কোরো। যে ভালো কাজ করে, সে ঈশ্বর থেকে। যে মন্দ কাজ করে, সে ঈশ্বরকে দেখেনি।

[12] দীমীত্রিয়ের সুখ্যাতি সকলেই করে। এমনকি, সত্যও তাঁর পক্ষে। আমরাও তাঁর সুখ্যাতি করি এবং তুমি জানো যে, আমাদের সাক্ষ্য সত্যি।

[13] তোমাকে অনেক কথা লেখার আছে, কিন্তু কাগজে-কলমে তা আমি করতে চাই না।

[14] আশা করি, অচিরেই তোমার সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে; আমরা মুখোমুখি সব আলোচনা করব।

[15] তোমার শান্তি হোক। এখানকার বন্ধুরা তোমাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। ওখানকার বন্ধুদেরও প্রত্যেকের নাম উল্লেখ করে শুভেচ্ছা জানিয়ো।