[1] যাদের বন্দী করে রাখা হয়েছিল, বাবিলের রাজা নবূখদনিত্সর তাদেরকে বাবিলে বন্দী করে নিয়ে গিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে প্রদেশের এই লোকেরা বন্দীদশা থেকে যাত্রা করে যিরূশালেমে ও যিহূদাতে নিজেদের নগরে ফিরে এল;
[2] এরা সরুব্বাবিল, যেশূয়, নহিমিয়, সরায়, রিয়েলার, মর্দখয়, বিলশন, মিস্পর, বিগবয়, রহূম ও বানা এনাদের সঙ্গে ফিরে এল৷ সেই ইস্রায়েল লোকেদের পুরুষের সংখ্যা;
[3] পরোশের বংশধরদের সংখ্যা দুই হাজার একশো বাহাত্তর জন৷
[4] শফটিয়ের বংশধরদের সংখ্যা তিনশো বাহাত্তর জন৷
[5] আরহের সন্তান সাতশো পঁচাত্তর জন৷
[6] বংশধরদের সংখ্যা যেশূয় ও যোয়াবের বংশধরদের মধ্যে পহৎ-মোয়াবের বংশধর দুই হাজার আটশো বারো জন৷
[7] বংশধরদের সংখ্যা এলমের বংশধর এক হাজার দুশো চুয়ান্ন জন৷
[8] বংশধরদের সংখ্যা সত্তূর বংশধর নশো পঁয়তাল্লিশ জন৷
[9] সক্কেয়ের বংশধর সাতশো ষাট জন৷
[10] বানির বংশধর ছয়শো বিয়াল্লিশ জন৷
[11] বেবয়ের বংশধর ছয়শো তেইশ জন৷
[12] অসগদের বংশধর এক হাজার দুশো বাইশ জন৷
[13] অদোনীকামের বংশধর ছয়শো ছেষট্টি জন৷
[14] বিগবয়ের বংশধর দুই হাজার ছাপ্পান্ন জন৷
[15] আদীনের বংশধর চারশো চুয়ান্ন জন৷
[16] যিহিষ্কিয়ের বংশের আটেরের বংশধর আটানব্বই জন৷
[17] বেৎসয়ের বংশধর তিনশো তেইশ জন৷
[18] যোরাহের বংশধর একশো বারো জন৷
[19] হশুমের বংশধর দুশো তেইশ জন৷
[20] গিব্বরের বংশধর পঁচানব্বই জন৷
[21] বৈৎলেহমের বংশধর একশো তেইশ জন৷
[22] নটোফার লোক ছাপ্পান্ন জন৷
[23] অনাথোতের লোক একশো আঠাশ জন৷
[24] অসমাবতের বংশধর বেয়াল্লিশ জন৷
[25] কিরিয়ৎ-আরীম, কফীরা ও বেরোতের বংশধর সাতশো তেতাল্লিশ জন৷
[26] রামার ও গেবার বংশধর ছয়শো একুশ জন৷
[27] মিকমসের লোক একশো বাইশ জন৷
[28] বৈথেলের ও অয়ের লোক দুশো তেইশ জন৷
[29] নবোর বংশধর বাহান্ন জন৷
[30] মগবীশের বংশধর একশো ছাপ্পান্ন জন৷
[31] অন্য এলমের বংশধর এক হাজার দুশো চুয়ান্ন জন৷
[32] হারীমের বংশধর তিনশো কুড়ি জন৷
[33] লোদ, হাদীদ ও ওনোর বংশধর সাতশো পঁচিশ জন৷
[34] যিরিহোর বংশধর তিনশো পঁয়তাল্লিশ জন৷
[35] সনায়ার বংশধর তিন হাজার ছয়শো ত্রিশ জন৷
[36] যাজকেরা; যেশূয় বংশের মধ্যে যিদয়িয়ের বংশধর নয়শো তেয়াত্তর জন৷
[37] ইম্মেরের বংশধর এক হাজার বাহান্ন জন৷
[38] পশহূরের বংশধর এক হাজার দুশো সাতচল্লিশ জন৷
[39] হারীমের বংশধর এক হাজার সতের জন৷
[40] লেবীয়েরা; হোদবিয়ের বংশধরদের মধ্যে যেশূয় ও কদমীয়েলের বংশধর চুয়াত্তর জন৷
[41] গায়কেরা; আসফের বংশধর একশো আঠাশ জন৷
[42] দারোয়ানদের বংশধররা; শল্লুমের বংশধর, আটেরের বংশধর, টলমোনের বংশধর, অক্কুবের বংশধর, হটীটার বংশধর, শোবয়ের বংশধর মোট একশো ঊনচল্লিশ জন৷
[43] নথীনীয়েরা (মন্দিরের কর্মচারীরা); সীহের বংশধর, হসূফার বংশধর, টব্বায়োতের বংশধর,
[44] কেরোসের বংশধর, সীয়ের বংশধর, পাদোনের বংশধর,
[45] লবানার বংশধর, হগাবের বংশধর, অক্কুবের বংশধর,
[46] হাগবের বংশধর, শময়লের বংশধর, হাননের সন্তান,
[47] গিদ্দেলের বংশধর, গহরের বংশধর, রায়ার বংশধর,
[48] রৎসীনের বংশধর, নকোদের বংশধর, গসমের বংশধর,
[49] উষের বংশধর, পাসেহের বংশধর, বেষয়ের বংশধর,
[50] অস্নার বংশধর, মিয়ূনীমের বংশধর, নফূষীমের বংশধর;
[51] বকবূকের বংশধর, হকূফার বংশধর, হর্হূরের বংশধর,
[52] বসলূতের বংশধর, মহীদার বংশধর, হর্শার বংশধর,
[53] বর্কোসের বংশধর, সীষরার বংশধর, তেমহের বংশধর,
[54] নৎসীহের বংশধর, হটীফার বংশধররা৷
[55] শলোমনের দাসদের বংশধররা; সোটয়ের বংশধর, হসসোফেরতের বংশধর, পরূদার বংশধর;
[56] যালার বংশধর, দর্কোনের বংশধর, গিদ্দেলের বংশধর,
[57] শফটিয়ের বংশধর, হটীলের বংশধর, পোখেরৎ-হৎসবায়ীমের বংশধর, আমীর বংশধররা৷
[58] নথীনীয়েরা (যারা মন্দিরের কাজ করত) ও শলোমনের দাসদের বংশধররা মোট তিনশো বিরানব্বই জন৷
[59] আর তেল-মেলহ, তেল-হর্শা, করূব, অদ্দন ও ইম্মের, এক সব জায়গা থেকে নিচে লেখা লোকেরা এল, কিন্তু তারা ইস্রায়েলীয় কি না, এ বিষয়ে তারা তাদের পূর্বপুরুষদের কিংবা বংশের প্রমাণ দিতে পারল না;
[60] দলায়ের বংশধর, টোবিয়ের বংশধর, নকোদের বংশধর ছয়শো বাহান্ন জন৷
[61] আর যাজক বংশধরদের মধ্যে হবায়ের বংশধর, হক্কোসের বংশধর ও বর্সিল্লয়ের বংশধরেরা; এই বর্সিল্লয় গিলিয়দীয় বর্সিল্লয়ের একটি মেয়েকে বিয়ে করে তাদের নামে পরিচিত হয়েছিল৷
[62] বংশাবলিতে নথিভুক্ত লোকেদের মধ্যে এরা নিজেদের বংশতালিকা খুঁজে পেল না, তাই তারা অশুচি বলে যাজকত্ব পদ হারালো৷
[63] আর শাসনকর্ত্তা তাদেরকে বললেন, “যে পর্যন্ত ঊরীম ও তুম্মীমের অধিকারী একজন যাজক তৈরী না হয়, ততদিন তোমরা অতি পবিত্র জিনিস খাবে না৷”
[64] জড়ো হওয়া সমস্ত সমাজ মোট বিয়াল্লিশ হাজার তিনশো ষাট জন ছিল৷
[65] তাছাড়াও তাদের সাত হাজার তিনশো সাঁইত্রিশ জন দাসদাসী ছিল, আর তাদের মন্দিরে দুশো জন গায়ক ও গায়িকা ছিল৷
[66] তাদের সাতশো ছত্রিশটি ঘোড়া, দুশো পঁয়তাল্লিশটি ঘোড়ার রথ,
[67] চারশো পঁয়ত্রিশটি উট ও ছয় হাজার সাতশো কুড়িটি গাধা ছিল৷
[68] পরে পুর্বপুরুষদের বংশের প্রধানদের মধ্যে কতগুলি লোক সদাপ্রভুর যিরূশালেমের বাড়ির কাছে আসলে ঈশ্বরের সেই বাড়ি নিজের জায়গায় স্থাপন করার জন্য সম্পূর্ণ ইচ্ছায় দান করল৷
[69] তারা নিজেদের শক্তি অনুসারে ঐ কাজের ভান্ডারে একষট্টি হ্যাঁজার অদর্কোন সোনা ও পাঁচ হাজার মানি রূপা ও যাজকদের জন্য একশোটি পোশাক দিল৷
[70] পরে যাজকেরা, লেবীয়েরা ও অন্যান্য লোকেরা এবং গায়কেরা, দারোয়ানরা ও নথীনীয়েরা নিজেদের নগরে এবং সমস্ত ইস্রায়েল নিজেদের নগরে বাস করল৷