Skip to content
Opens in a new window
Listen to this chapter • 2:10

[1] আর সদাপ্রভু মোশিকে বললেন, “আমি ফরৌণের ও মিশরের উপরে আর এক মহামারী আনব, তারপরে সে তোমাদেরকে এই স্থান থেকে ছেড়ে দেবে এবং ছেড়ে দেবার দিনের তোমাদেরকে নিশ্চয়ই এখান থেকে একেবারে তাড়িয়ে দেবে।

[2] তুমি লোকেদেরকে নির্দেশ দাও, আর প্রত্যেক পুরুষ তার প্রতিবেশীর থেকে ও প্রত্যেক স্ত্রী তার প্রতিবাসিনী থেকে রূপার ও সোনার গয়না চেয়ে নিক।”

[3] আর সদাপ্রভু মিশরীয়দের চোখে লোকদেরকে অনুগ্রহের পাত্র করলেন। আবার মিশর দেশে মোশি ফরৌণের দাসেদের ও প্রজাদের চোখে খুব মহান ব্যক্তি হয়ে উঠলেন।

[4] মোশি আরও বললেন, “সদাপ্রভু এই কথা বলেন, ‘আমি মাঝরাতে মিশরের মধ্যে দিয়ে যাব।

[5] তাতে সিংহাসনে বসা ফরৌণের প্রথমজাত থেকে যাঁতা পেষণকারিণী দাসীর প্রথমজাত পর্যন্ত মিশর দেশের সকল প্রথমজাত মরবে।

[6] আর যেরকম কখনও হয়নি ও হবে না, সমস্ত মিশর দেশে এমন মহাকোলাহল হবে।

[7] কিন্তু সমস্ত ইস্রায়েল সন্তানের মধ্যে মানুষের কি পশুর বিরুদ্ধে একটা কুকুরও চিত্কার করবে না, যেন আপনারা জানতে পারেন যে, সদাপ্রভু মিশরীয় ও ইস্রায়েলীয়ের মধ্যে প্রভেদ করেন।’

[8] আর তোমার এই দাসেরা সবাই আমার কাছে নেমে আসবে ও প্রণাম করে আমাকে বলবে, ‘তুমি ও তোমার অনুগামী সব লোকেরা যাও,’ তারপর আমি বেরিয়ে আসব।” তখন তিনি খুব রেগে গিয়ে ফরৌণের কাছ থেকে বেরিয়ে গেলেন।

[9] আর সদাপ্রভু মোশিকে বলেছিলেন, “ফরৌণ তোমাদের কথায় মনোযোগ দেবে না, আমি অনেক অদ্ভুত জিনিস মিশর দেশে করব।”

[10] মোশি ও হারোণ ফরৌণের সামনে এই সব অদ্ভুত কাজ করেছিলেন; আর সদাপ্রভু ফরৌণের অন্তর কঠিন করলেন, আর তিনি তাঁর দেশ থেকে ইস্রায়েলের লোকদের ছাড়লেন না।

যাত্রাপুস্তক — Chapters