[1] ঈশ্বর তোমাদের খ্রীষ্টের সঙ্গে তুলেছেন, যেখানে খ্রীষ্ট ঈশ্বরের ডান পাশে বসে আছেন সেই স্বর্গীয় জায়গার বিষয় চিন্তা কর।
[2] স্বর্গীয় বিষয় ভাব, পৃথিবীর বিষয় ভেবো না।
[3] তোমরা মারা গেছ এবং ঈশ্বর তোমাদের জীবন খ্রীষ্টের সঙ্গে লুকিয়ে রেখেছেন।
[4] তোমাদের জীবনে যখন খ্রীষ্ট প্রকাশিত হবেন, তখন তোমরাও তাঁর প্রতাপে প্রকাশিত হবে।
[5] তোমরা পৃথিবীর পাপপূর্ণ স্বভাব নষ্ট করে ফেল যেমন বেশ্যাগমন, অশুচিতা, মোহ, খারাপ ইচ্ছা লোভ এবং মুর্ত্তিপূজা।
[6] এই সব কারণে অবাধ্য সন্তানদের ওপর ঈশ্বরের রাগ সৃষ্টি হয়।
[7] একদিন যখন তোমরা এই ভাবে জীবন যাপন করতে তখন তোমরাও এই ভাবে চলতে।
[8] কিন্তু এখন তোমরা অবশ্যই এই সব জিনিস ত্যাগ করবে ক্রোধ, রাগ, হিংসা, ঈশ্বরনিন্দা ও তোমাদের মুখ থেকে বেরনো বাজে কথা।
[9] একজন অপরকে মিথ্যা কথা বল না, কারণ আগে যা অনুশীলন করতে তা ছেঁড়া কাপড়ের টুকরোর মত ফেলে দাও,
[10] এবং তুমি সেই নূতন মানুষকে পরিধান করেছ, যা তোমাকে জ্ঞানের প্রতিমূর্ত্তিতে নতুনিকৃত করেছে সেই সৃষ্টি কর্তার প্রতিমূর্ত্তিতে।
[11] এখানে এই জ্ঞানের মধ্যে গ্রীক এবং ইহূদি, ছিন্নত্বক এবং অচ্ছিন্নত্বক, বর্ব্বর, স্কুথীয়, দাস, স্বাধীন বলে কিছু নেই, কিন্তু খ্রীষ্টই সব।
[12] ঈশ্বর যাদের মনোনীত করেছেন পবিত্র এবং প্রিয় লোকদের করুণার চিত্ত, দয়া, নম্রতা, মৃদূতা, ধৈর্য্য এই গুণগুলি পালন কর।
[13] একে অপরকে সহ্য কর। একে অপরের মঙ্গলময় হও। যদি কারোর বিরুদ্ধে দোষ দেবার থাকে তবে উভয় উভয়কে ক্ষমা কর, প্রভু যেভাবে তোমাদের ক্ষমা করেছেন, তোমরাও সেভাবে কর।
[14] এই সব জিনিস গুলোকে ভালবাসা দিয়ে সাজাও, ভালবাসাই সব কিছুকে একসঙ্গে বাঁধতে পারে।
[15] খ্রীষ্টের শান্তি তোমাদের হৃদয়কে শাসন করুক। এই ছিল সেই শান্তি যা তোমাদের এক দেহে ছিল। কৃতজ্ঞ হও।
[16] খ্রীষ্টের বাক্য প্রচুর পরিমাণে তোমাদের হৃদয়ে বাস করুক। তোমাদের সব জ্ঞান দিয়ে গীত এবং স্ত্রোত্র এবং আত্মিক গান দিয়ে একে অপরকে শিক্ষা ও চেতনা দাও, কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তোমরা হৃদয় দিয়ে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে ধন্যবাদের সঙ্গে গান কর।
[17] এবং তোমরা কথায় অথবা কাজে যা কিছু কর সবই প্রভু যীশুর নামে কর এবং তাঁর মাধ্যমে পিতা ঈশ্বরের ধন্যবাদ কর।
[18] স্ত্রীরা, তোমাদের স্বামীর বশীভূতা হও, যেমন এটা প্রভুতে উপযুক্ত।
[19] স্বামীরা, তোমাদের স্ত্রীকে ভালবাসো এবং তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার কর না।
[20] শিশুরা, তোমরা সব বিষয়ে পিতামাতাকে মান্য কর, এটা প্রভুকে বেশি সন্তুষ্ট করে।
[21] পিতারা, তোমাদের শিশুদের রাগিও না, তারা যেন হতাশ না হয়।
[22] দাসেরা, যারা শরীরের সম্পর্কে তোমাদের প্রভু তোমরা তাদের সব বিষয়ে মান্য করো, লোককে সন্তুষ্ট করার মত চাক্ষুষ সেবা কোর না কিন্তু অকৃত্রিম হৃদয়ে প্রভুকে ভয় করে সেবা কর।
[23] যা কিছু কর, প্রাণ দিয়ে কাজ কর, প্রভুর কাজ হিসাবে কর, লোকের হিসাবে নয়।
[24] তোমরা জান তোমরা উত্তরাধিকার সুত্রে প্রভুর কাছ থেকে পুরষ্কার পাবে। তোমরা প্রভু খ্রীষ্টের দাসের কাজ কর।
[25] যে অন্যায় করে, সে অন্যায়ের প্রতিফল পাবে এবং এখানে কোন পক্ষপাতিত্ব নেই।